Home » তোমারটিউনস » কুরবানী প্রসঙ্গে কিছু অপ্রিয় বাস্তবতা এবং সঠিক নিয়ম কি

কুরবানী প্রসঙ্গে কিছু অপ্রিয় বাস্তবতা এবং সঠিক নিয়ম কি

কুরবানী প্রসঙ্গে কিছু অপ্রিয় বাস্তবতা…

 

 

আমরা আধুনিক ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছি, তাই আমরা গর্বিত, কিন্তু সম্প্রতি কিছু বাস্তবতা তুলে ধরতে চাই কুরবানী ও কুরবানির পশু নিয়ে

 

আমাদের সমাজে দেখতে পাই কুরবানী পশু নিয়ে এক শ্রেনির উন্নত মানুষগুলো ফেসবুকে কুরবানীর পশুর ছবি তুলে ধরতেই বেশি পছন্দ করেন, কুরবানীর পশুকে উপহাস করেন নিজের অজান্তেই।

কুরবানী এমন এক প্রচলিত নিয়ম যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসছে,  কিন্তু আজ বিংশ শতাব্দীর টাল মাটাল পৃথিবীতে…পবিত্র ঈদুল  আযহায় যে যেভাবে পারছে কুরবানী করে গরীব দুঃখী প্রতিবেশী আত্মীয় স্বজনদের কে কুরবানী মাংস না বিলিয়ে নিজের ফ্রিজ এ ভর্তি করে সারাবছর সেগুলো খাচ্ছে।

আর এটাকেই মহৎ কাজ মনে করে মনের আনন্দে ফেসবুকে কুরবানীর পশুর ছবি দিয়ে পোস্ট করছে আমি কুরবানী করেছি!

একটুও ভেবে দেখছি না আমরা এসব কি করছি।

আমি সকলের জন্য আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে তিনি যেন সকলকেই বুঝ দান করেন।

সিম্পল একটি কথা বলে আমার লেখা ইতি টানতে চাই যে,

আমরা যখন কুরবানী পশু আল্লাহর ওয়াস্তে কুরবানী করব তা অবশ্যই একভাগ গরীব দুঃখী মানুষের, একভাগ প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনদের এবং একভাগ নিজেদের এভাবেই যেন বন্টন করি। আর অবশ্যই বাড়িতে (২.৫) আড়াই দিনের বেশি যেন আমরা কুরবানীর পশুর মাংস না খাই এবং ফ্রিজে যেন না রাখি, কারন এটা হারাম তাছাড়া কুরবানি হবেও না আমরা যদি এসব মাংস জমিয়ে রেখে সারাবছর খেতে চাই।

তাহলে আল্লাহ্পাক কবুল করবেন সেই কুরবানী।

অবশেষে, আমার লেখায় যদি কেউ কস্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী,  আমায় ক্ষমা করবেন।

আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে মঙ্গল দান করুন।

আমিন।

 

Tags:
0 Comments

No Comment.